বিএনপির দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত জনপ্রিয় নেতা ভিপি আয়নুল হক-এর বিরুদ্ধে কিছু গণমাধ্যমে “শিক্ষকের নিকট চাঁদাবাজির অভিযোগ” শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে—তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এই সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ভিপি আয়নুল হকের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র চলছে।
উল্লেখিত অভিযোগকারী চান্দাইকোনা হাজী ওয়াহেদ মরিয়ম অনার্স কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফর রহমান—যিনি ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ মদদে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান।
কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি বিভিন্ন অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, প্রশাসনিক অনৈতিকতা ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।
এইসব দুর্নীতির প্রতিবাদে তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদ, কলেজ শাখা ছাত্রলীগ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন।
ফলস্বরূপ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই তিনি দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত হন এবং পরবর্তীতে নিজ থেকেই দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকেন।
এমনকি কলেজ কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে দুদকে (দুর্নীতি দমন কমিশন) আনুষ্ঠানিক অভিযোগও দায়ের করে।
এমন একজন বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ ব্যক্তির এখন বিএনপির জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী ভিপি আয়নুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা—এটি নিঃসন্দেহে একটি রাজনৈতিক নাটক ও গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, লুৎফর রহমান বর্তমানে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধনপ্রাপ্ত হয়ে “মনোনয়ন বাতিলের মিশনে” দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছেন।
তাঁদের মূল লক্ষ্য হলো—ভিপি আয়নুল হকের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করা এবং সিরাজগঞ্জ–৩ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ ঐক্য নষ্ট করা।
এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিঃসন্দেহে দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্যের পরিপন্থী।
ভিপি আয়নুল হক দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে একজন ত্যাগী, নির্যাতিত ও আদর্শনিষ্ঠ নেতা হিসেবে সুপরিচিত।
তিনি শিক্ষিত সমাজ, তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক।
তাঁর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা কিছু মহলের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে—এজন্যই তারা এখন অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিচ্ছে।
ভিপি আয়নুল হক বলেছেন—
“আমি জীবনে কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোনো প্রকার অর্থ দাবি করিনি। জনগণের সেবা, দলের মর্যাদা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারই আমার একমাত্র লক্ষ্য। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এটি একটি ষড়যন্ত্রের অংশ।”
আমরা দৃঢ়ভাবে জানাচ্ছি—ভিপি আয়নুল হকের সঙ্গে উল্লিখিত ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই।
এটি একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার, যার উদ্দেশ্য দলীয় ঐক্য ভাঙা, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা এবং আসন্ন নির্বাচনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা।
আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—
এই ধরনের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করুন।
একই সঙ্গে দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের অনুরোধ করছি—যাচাইবিহীন তথ্য প্রকাশ থেকে বিরত থেকে সত্যনিষ্ঠ ও নৈতিক সাংবাদিকতার মান বজায় রাখুন।
আমরা এই অপপ্রচার, মিথ্যা অভিযোগ ও ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রকাশকঃ
ভিপি আয়নুল হকের মিডিয়া সেল